** রাজধানী জুড়ে যে সকল অবৈধ রেস্টুরেন্ট রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে সরকারের কাছে টাস্ক ফোর্স চায় রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি।
ইমরান হাসান।সাধারণ সম্পাদক।বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির।

** বেইলি রোডের আগুনের ঘটনার তৃতীয় দিন আজ। পুড়ে যাওয়া ভবন এখন কেবলই দুঃসহ ক্ষতচিহ্ন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কংক্রিটের স্তুপ।

চোখের জল আর বুকফাটা আর্তনাদে প্রিয়জনের স্মৃতিচিহ্ন খুঁজতে অনেকেই এসেছেন আজ। আবার অনেকেই এসেছেন ভবনটিকে এক পলক দেখে কালের সাক্ষী হতে। এ দিন ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্যরা। বলেন,এ ভবনের শুধু একটি রেস্টুরেন্টে ছাড়পত্র ছিল

আর কোন রেস্টুরেন্টের ছাড়পত্র ছিল না । সেই সাথে তারা বলেন,রাজধানী জুড়ে যে সকল অবৈধ রেস্টুরেন্ট রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে দরকার টাস্ক ফোর্স গঠন করে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।

** বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে আরেকটি রিট।

** জবাবদিহিতার অভাব ও কর্তৃপক্ষের ম্যানেজ হওয়ার প্রবণতার কারণে বারবার আগুনের ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছেঃ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ।

** রাজধানীর বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ড- তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ।।

** রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ নামের ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার ও চা চুমুকের দুই মালিকসহ চারজনের প্রত্যেকের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রিমান্ডকৃতরা হলেন-কাচ্চি ভাইয়ের ম্যানেজার জিসান, চা চুমুকের মালিক আনোয়ারুল হক ও শাকিল আহমেদ রিমন এবং গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের ম্যানেজার হামিমুল হক বিপুল।

**বেইলি রোডে আগুনে পোড়া অজ্ঞাত ২ জনের মধ্যে আরো একজন শনাক্ত হয়েছে। মিনহাজ উদ্দিন, সফটওয়্যার কোম্পানীতে চাকড়ি করতো। পরিবারের লোকজন এসে শনাক্ত করেছে।
**বৃষ্টি খাতুনের/ অভিশ্রুতির মরদেহ আদালতের নির্দেশে হস্তান্তর হবে।।

**বেইলি রোডে অগ্নিকান্ডের দায় সরকারের এবং রাজউকসহ ৬টি সরকারি সংস্থার: মুজিবুুল হক চুন্নু।।