সোয়াচংক কে আমরা চলতি ভাসায় সয়া বড়ি বলি, এই সয়া বড়ি আপনি যতটা খাবেন এর ৫০% প্রোটিন শরীর এ প্রবেশ করে থাকে। এটি খুব হাই কোয়ালিটির প্রোটিন, যা আপনার শরীর এর ৫০% প্রোটিন এর চাহিদা পুরণ মেটাতে পারে।যদি ৫০ গ্রাম সয়া বড়ি খান তবে আপনার শরীর এর ২৫ গ্রাম প্রোটিন প্রবেশ করতে পারে। আমরা যদি প্রতিদিন ১০ টাকা খরচ করি তবে আমরা প্রতিদিন শরীরএর প্রচুর পরিমাণের প্রোটিনের ঘাটতি মিটাতে পারে।

বেশি টাকা দিয়া মাংস কিনতে পারছি না ,বাচ্চাদের প্রোটিন এর চাহিদা পুরণ করতে পারছি না, এই অবসাদ থেকে বের হয়ে আসুন। মাছ, মাংস,ডিম প্রত্যেকের নিজস্ব পুষ্টিগুণ আছে কিন্তু আমরা যখন প্রোটিন এর কথা বলব তখন সয়া বড়ির কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে। আবার মাছের ক্ষেত্রে দেখুন অনেকের মনে হয় যে সব দামি আর বড় মাছ এ উপকার বেশি,কিন্তু পুষ্টির কথা বললে পুঁটি, মুরোল্লা, টেংরা অনেক খানি এগিয়ে রয়েছে।

এই ছোটো মাছ ওই সব বড় মাছ থেকে সস্তা ও অনেকে তুলনামূলক ভাবে অনেক কম খরচ এ সংগ্রহ করতে পারেন, এ গুলো নদী নালা খালে বিলে প্রাকৃতিক ভাবে বড় হয় ,এই জন্য পুষ্টিগুণ এই মাছে বেশি পরিমাণে থাকে। এই ছোট মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা অ্যাসিড এবং এই মাছ আমরা কাটা ও মাথা চিবিয়ে খাই এই জন্য প্রচুর পরিমাণের ক্যালসিয়াম পেতে পারি।

এরপর আমরা ডাল ভাত এর কথা বলতে পারি ।একজন যদি প্রতিদিন ডাল ভাত খান তবে এ থেকে শরীরের বিভিন্ন প্রকার পুষ্টির ঘাটতি মিটতে পারে।এটা যে কোনো ডাল হতে পারে যেমন মুশুরের ডাল,মুগের ডাল, বুটের ডাল প্রতিটি ডালএ আছে প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন ও হাই কোয়ালিটির ফ্যাট আর তার সাথে সাথে প্রচুর পরিমানের ফাইবার এবং বিভিন্ন প্রকার পুষ্টিগুণ।তাই চেষ্টা করবেন প্রতিদিন অন্তত একবাটি ডাল আপনার দৈনন্দিন খাবারের সাথে রাখবেন।

আসুন দরিদ্রতাকে দায়ী করে অসুস্থ না হয়ে স্বাস্থ সচেতন হয়ে আমরা নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখি।

ছবি সূত্র : গূগল